Showing all 8 results

Show sidebar
-10%
Close

Gujarat Files-Anatomy of a Cover up (Bengali)

Rated 5.00 out of 5
200 180
-29%
Close

উসমানী খেলাফতের স্বর্ণকণিকা – Usmani khelafoter Swornokonika

280 200
0 out of 5

বই : উসমানি খেলাফতের স্বর্ণকণিকা
লেখক : Ainul Haque Qasimi আইনুল হক ক্বাসিমী।
প্রকাশক : কালান্তর প্রকাশনী
(প্রকাশনা নম্বর ১৯)।
প্রচ্ছদ : ইনাম বিন সিদ্দিক।
প্রকাশকাল : একুশে বইমেলা ২০১৮।
পৃষ্ঠাসংখ্যা : ১৫২।

সংক্ষিপ্ত বই পরিচিত :
তাতারিদের হাতে সালজুকি সাম্রাজ্যের পতন হলে উসমান বিন আরতুগাল ১২৯৯ সালে স্বাধীনভাবে প্রতিষ্ঠা করেন উসমানি সাম্রাজ্য।

আনাতোলিয়ার একসময়ের এই ছোট্ট জায়গিরটি পুরো এশিয়া মাইনর, পশ্চিম এশিয়া,
পূর্ব প্রাচ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা আর উত্তর-পূর্ব ইউরোপে মোট ঊনত্রিশটি প্রদেশ
নিয়ে প্রায় ৫২ লক্ষ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত ছিল। যে সীমানায় পৃথিবীর
বর্তমান মানচিত্রে প্রায় ৪২ টি দেশের অবস্থান।

কিন্তু আফসোসের বিষয়, ১৯২৪ সালের ৩ মার্চ ইসলাম বিদ্বেষী পশ্চিমাদের ক্রীড়নক মুস্তফা কামাল পাশা এ খেলাফতের কবর রচনা করেন।

উসমানি খেলাফত ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী, সবচেয়ে বৃহৎ, সামরিক শক্তিধর ও
সর্বশেষ ইসলামি খেলাফত। দুর্দান্ত ও মহাপ্রতাপশালী এ সাম্রাজ্যের ভয়ে
তৎকালীন অপরাপর সাম্রাজ্যগুলো কাঁপত থরথর করে! স্বয়ং আমেরিকা ও রাশিয়া
উসমানি খেলাফতকে কর প্রদান করত! বেশি দূরের নয়-এ ইতিহাস মাত্র একশ বছর
আগের!

আমরা এই খেলাফতের বিভিন্ন যুদ্ধকাহিনী জানতে পারলেও
খেলাফতের সোনাফলা মাটি-প্রকৃতি, সোনালি দিন-রাত আর সোনার সেই রাজা-প্রজাদের
সম্পর্কে তেমন কিছু জানি না বললেই চলে!

উসমানি খেলাফতের সুদীর্ঘ
ছয় শতাধিক বছরের যুগ-যুগান্তর ও কাল-কালান্তরের বাঁকেবাঁকে ঘটে যাওয়া ঈমান
জাগানিয়া ও হৃদয়ছোঁয়া স্বপ্নিল কাহিনী, বর্ণিল গল্প ও স্বর্ণালি ইতিহাসের
এক অতুলনীয় সমাহার এই ‘উসমানি খেলাফতের স্বর্ণকণিকা’ গ্রন্থটি। যে
গ্রন্থটি ঐশী বিধানে পরিচালিত একটি সাম্রাজ্য, একটি জাতি ও একটি সুবিশাল
সমাজের কতগুলো সোনার মানুষের সোনালি অবস্থা-ব্যবস্থাকে ফুটিয়ে তুলেছে।
হেথা-হোথা ছড়ানো-ছিটানো বিক্ষিপ্ত কাহিনী, গল্প ও ইতিহাস-টুকরোকে বইটি একই
সূতোয় গেঁথে নিয়ে এসেছে। সেই হিসেবে বইটি নিয়মতান্ত্রিকভাবে আগাগোড়া উসমানি
খেলাফতের ইতিহাসের কোনো বই নয়; বরং উসমানি খেলাফতের বাস্তব সত্য কিছু
ঈমানদীপ্ত, চমকপ্রদ ও শিক্ষণীয় কাহিনীর অনবদ্য সঙ্কলন।

-18%
Close

গাট্টিওয়ালা – Gattiwala

280 230
0 out of 5


📙কিতাবের নাম : গাট্টিওয়ালা
লেখক : সৈয়দ মাহবুব আলম
শরঈ নিরীক্ষণ :মুফতি নাফিউল ইসলাম

👉প্রচ্ছদ: এম্বুশ, স্পট
👉মুদ্রিত মূল্য : ২৮০ টাকা
👉পৃষ্ঠাসংখ্যা : ২৩২(৮০গ্রাম অফসেট, কালার)

📙 প্রকাশনায়: ফেইথ পাবলিকেশন

-17%
Close

প্রাচ্যবিদদের ইসলামচর্চার নেপথ্যে – Prachyobid der Islam chorchar Nepothye

120 100
0 out of 5
  • আজকাল স্কুল-কলেজ ও ইউনিভার্সিটিগুলোতে যেই ইতিহাস পড়ানো হয়, সেই ইতিহাস অধ্যয়ন করলে পরিষ্কার বুঝে আসে যে, সেই ইতিহাসের সেই বইগুলোতে মুসলিম উম্মাহর আলোকিত অতীতের মাঝে প্রাণঘাতী বিষ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের যেই সন্তানরা ওরিয়েন্টালিস্টদের তত্ত্বাবধানে গড়ে ওঠছে, তারা সেই বিষাক্ত ইতিহাস নিজ ব্যবহারিক জীবনে প্রয়োগ করার জন্যে দিন-রাত একাকার করে খাটছে। প্রাচ্যবিদরা তাদের নিষ্পাপ অন্তঃকরণে এমনভাবে বিষাক্ত খোরাক ঢুকিয়ে দিচ্ছে যে, তারা আজীবনের জন্যে তাদের দাসে পরিণত হচ্ছে। এখন তাদের মুখ থেকে সেই কথাগুলোই বেরোচ্ছে, যা তাদেরকে তাদের মনিব শিখিয়ে দিয়েছে। এভাবেই প্রাচ্যবিদরা আমাদের এই সন্তানদের মাধ্যমে তাদের বুকের ভেতরে পুষে রাখা হিংসা ও বিদ্ধেষ চরিতার্থ করছে।
    .
    শুধু তাই নয়; প্রাচ্যবিদরা ইসলামের সভ্যতা ও সংস্কৃতি নিয়েও ছিনিমিনি খেলেছে। তারা বিশ্ববাসীর সামনে বাস্তবতা বিবর্জিত শতভাগ মিথ্যার আবরণে আবৃত চালচিত্র উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছে। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো― এর মাধ্যমে তারা ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব ধূলিধূসরিত করবে। তারা চেয়েছিলো― ইসলাম পৃথিবীকে মানবতার যেই কালোত্তীর্ণ সওগাত উপহার দিয়েছে, তা বিশ্ববাসীর সামনে তুচ্ছ প্রমাণিত করবে। মুসলমানদের মনে ইসলামের প্রতি বিরাগ সৃষ্টির দূরভিসন্ধি থেকেই তারা এ ধরনের মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে।
    .
    প্রাচ্যবিদরা শুধু ইসলামের ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টাই করেনি। তারা এর ওপর ক্ষ্যান্ত হয়নি; বরং তারা কালিমা লেপনের কুমতলব থেকে হাদীস, তাফসীর, ফেকাহ তথা অপরাপর ইসলামঘনিষ্ট বিদ্যাগুলোও গভীর অভিনিবেশ সহকারে পাঠ করেছে এবং এ ময়দানেও তারা তাদের মজ্জাগত বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটিয়েছে। যার ধারাবাহিকতায় তারা বিভিন্ন আসমানি প্রত্যাদেশের মূল ভাষ্যের মাঝে বিকৃতি ঘটিয়েছে। যেসব স্থানে তারা বিকৃতির সুযোগ পায়নি সেসব স্থানে তারা অপব্যাখ্যা প্রদান ও জটিলতা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে।
    .
    সীমাহীন দুঃখের বিষয় হলো, ইস
    লাম ও মুসলমানদের এমন কোনো বিষয় নেই, যার ওপর প্রাচ্যবিদরা তাদের রচনাবলির মাঝে আলোচনা করেনি। তাফসীর, হাদীস ও ফেকাহ থেকে শুরু করে শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য, এমনকি প্রজন্মের মূল্যবোধ সম্পর্কিত শাস্ত্রগুলোর ওপরও তারা কলম ধরেছে। বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কলেজ ও ইউনিভার্সিটির গবেষক ও স্কলারদের কাছে তাদের বইগুলোই উৎসগ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। যেমনটি আমরা ইতোপূর্বে বলেছি। যার ফলে দেখা যায়, ওই বিদ্যাপীঠগুলোর শিক্ষার্থীরা তাদের প্রভু ও মনিবদের চিন্তা-চেতনার উত্তরসূরী হয়ে থাকে।
    .
    এগুলো হলো মূল কারণ। এর বাইরে আরও অনেকগুলো কারণ রয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে কিছু আলেমে দ্বীন ―যাদের অন্তরে এই দ্বীন, কুরআন ও উম্মাহর ব্যাপারে আত্মসম্মানবোধের প্রদীপ জ্বলজ্বল করে― তারা প্রতিবাদ ও অপনোদনের ঝাণ্ডা হাতে দাঁড়িয়ে গেছেন। তারা প্রাচ্যবিদদের অপচেষ্টাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করে বিশ্ববাসীর সামনে প্রকৃত বাস্তবতা তুলে ধরার প্রাণান্ত চেষ্টা করেছেন। যেন তাদের সকল কুমতলব তাদের সামনে দিবালোকের মতো প্রতিভাত হয়ে ওঠে।
    বক্ষ্যমাণ পুস্তিকাটি সে ধরনেরই একটি প্রয়াস। যদিও আকার-অবয়বে তা নেহায়েত ছোট; কিন্তু তথ্য ও তত্ত্বের বিপুলতার বিচারে অবশ্যই অনেক বড়। পুস্তিকাটি রচনা করেন ডক্টর মুসতফা আস-সিবাঈ। মহান আল্লাহ তাঁর কবর পবিত্র ও নির্মল রাখুন। তিনি সচেতন পাঠকবর্গের উপকারার্থে তাঁর বিভিন্ন রচনাবলি থেকে এ প্রতিপাদ্য সম্পর্কিত তথ্যগুলো এক মলাটে সন্নিবেশিত করার চেষ্টা করেছেন। এপুস্তিকাটি ভাষা-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্বের সবার জন্যে অমূল্য উপহার। মহান আল্লাহ লেখকের ওপর দয়া করুন। তিনি তাঁর ওপর নিজ রহমত ও দয়া বর্ষণ করুন। ইসলাম ও মুসলমানদের পক্ষ থেকে তাঁকে উত্তম বিনিময় দিন।

-25%
Close

ফাযায়েলে আমাল ও উলামায়ে দেওবন্দঃ আপত্তি ও খণ্ডন – Fajayel e amal O Ulamaye Deoband apotti O khondon

400 300
0 out of 5

ফাযায়েলে আমাল ও তাবলীগ জামাত সম্পর্কিত প্রায় সকল অভিযোগের তথ্যবহুল জবাব নির্ভর অনবদ্য গ্রন্থ
ফাযায়েলে আমাল ও উলামায়ে দেওবন্দঃ আপত্তি ও খণ্ডন
লেখক-মুফতী লুৎফুর রহমান ফরায়েজী
পরিচালক-তালীমুল ইসলাম ইনস্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা।
উস্তাজুল ইফতা-জামিয়া কাসিমুল উলুম আলইসলামিয়া আমীনবাজার, ঢাকা।

বৈশিষ্ট্যাবলী
১। তাবলীগ জামাত সম্পর্কিত বিভিন্ন সংশয় ও অভিযোগের তথ্যবহুল জবাব।
২। ফাযায়েলে আমাল, ফাযায়েলে হজ্জ্ব, ফাযায়েলে সাদাকাত ও ফাযায়েলে দরূদ কিতাবে উদ্ধৃত অভিযুক্ত ঘটনার সূত্র উল্লেখ ও তাহকীক।
৩। প্রামাণ্য মূল গ্রন্থের ইবারত ও প্রয়োজনে স্ক্রীণ শর্ট সংযোজন।
৪। ফাযায়েল সম্পর্কিত প্রচলিত বিভিন্ন হাদীসের তাখরীজ ও তাহকীক।
৫। প্রশ্নোত্তর আকারে অভিযোগ উত্থাপন ও জবাব প্রদান পদ্ধতিতে সাজানো।
৬। আকাবিরে দেওবন্দের উপর উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের তাহকীকী জবাব।
৭। উলামা, তুলাবা ও সাধারণ মুসলিম সবার জন্য বোধগম্য ভাষায় সরল উপস্থাপন।
৮। বাংলা ভাষায় ইতোপূর্বে ফাযায়েলে আমাল ও তাবলীগ জামাতের উপর উত্থাপিত অভিযোগের জবাবে এমন তথ্যবহুল কোন গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি।

-19%
Close

বলয় ভাঙার গল্প – Boloy Vangar Golpo

270 220
0 out of 5

প্রতিটি জীবনই একেকটি গল্পসমষ্টি। জীবনের ছত্রে ছত্রে ছড়িয়ে আছে গল্প।
তবে জীবনের গল্পগুলো এবং গল্পের জীবনগুলো বিচিত্র রকমের। সেই গল্পগুলোতে মানুষ অভিনয় করে। গল্পগুলো মানবজীবনে জেঁকে বসে। ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে মানুষের জীবনে ও যৌবনে। হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, ভালোলাগা ও ভালোবাসার অজস্র গল্পবৈভবে ভরপুর মানবজনম। অনাহূত সেই গল্পগুলো সংসার, সমাজ ও রাষ্ট্রে বিস্তর প্রভাব ফেলে। সেই সুযোগে সমাজ আমাদের মাঝে গল্পচ্ছলে প্রচুর কুপ্রথা, কুসংস্কার, বেদস্তুর, বিভাজ্য, বৈষম্য, অপসংস্কৃতি, পাশ্চাত্যকালচার ছড়িয়ে দেয়। এটাই হচ্ছে সমাজের বলয়। সেই বলয়-ই সভ্যতা, নৈতিকতা ও আধুনিকতার রূপে আমাদের জীবনে ছড়িয়ে দেয় জাহেলিয়াতের বিষবাষ্প। জ্বালিয়ে দেয় বিদ্বেষবিষের স্ফুলিঙ্গ। তখন আলোকিত মুখোশের আড়ালের অন্ধকারে ছেয়ে যায় মানবজমিন। বিদ্বেষবিষের স্ফুলিঙ্গে ভষ্ম হয়ে যায়  জীবনের প্রতিটি উপসর্গ। জীবনে তখন আলোর গল্প কিংবা গল্পের আলো থাকে না। ঠিক তখন বিবেককে জাগ্রত করতে, আবেগকে নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং মনুষ্যত্বের আলোয় উদ্ভাসিত হতে প্রয়োজন পড়ে আরও কিছু গল্পের। আর সেইসব গল্পই বাস্তব এবং সেইসব বাস্তবতাই গল্প। তাই সেইসব গল্পে সভ্য সমাজের আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকা অসভ্যতার দেয়াল ধ্বসে পড়ে। নৈতিকতার আবরণে ঢাকা অনৈতিকতার কলুষিত মুখোশ খসে পড়ে। উন্মোচন হয় সমাজের কুৎসিত মুখাবয়ব। উন্মেলিত হয় মানুষের অন্তর্চক্ষু। মূলত সেইসব গল্পই ভেঙে দেয় সমাজের বলয়। সেইসব একগুচ্ছ গল্প নিয়েই "বলয় ভাঙার গল্প" বইটি। অন্ধকারের বলয় ভেঙে যাঁরা আলোকিত হতে চায়, এবং সেই আলোর দ্যুতি সমাজে বিলিয়ে দিতে চায় তাঁদেরকে উত্‍সর্গ করেই বইটি।
* * *
বইটি মূলত গল্পের।
তবে ভিন্ন ভাবধারার।
ছোট ছোট গল্প। প্রায় ত্রিশটি গল্প একত্রিত হয়ে বই হয়েছে। প্রতিটি গল্পের শেষে টীকা সংযোজিত। সেখানে রেফারেন্সসহ গল্পের সারনির্যাস। ফ্ল্যাপে লেখকপরিচয় এবং বই সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তুলে ধরা হয়েছে।
ধর্মপরিচর্যার অভাবে আমাদের সমাজ আজ উদ্ভুত সমস্যাসমুদ্রে ভাসমান। যা পরিলক্ষিত হয় বইয়ের প্রতিটি গল্পে। গল্পটীকায় লেখক ইসলামের মাধ্যমে সেইসব সমস্যা প্রতিকারের পথ বাতলে দিয়েছেন। প্রমাণ করেছেন ইসলামই পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। প্রাচীন কুরআন-হাদিস যে কত আধুনিক, তা জানা যায় গল্পের টীকাগুলো পড়ে। কুরআন যে কত নিখুঁত ও নিপুণভাবে উদ্ভূত সমস্যা নিরসন করে, তাও গল্পের টীকা পড়ে বোঝা যায়। ইসলামবিবর্জিত সমাজ যে কতটুক ভয়াল তা চোখ খুলে তাকালেই দৃশ্যমান। তাই জীবনে শান্তির নির্মল বাতাস প্রবাহিত করতে প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের ইসলামকে অনুসরণ করতে হবে। তাহলেই সমাজের অন্ধকার বলয় ভেঙে সোনালি সূর্য ভেসে উঠবে।
.
আলোচ্য বইটির  প্রতিটি গল্পই নিরঙ্কুশ সুন্দরের বার্তা বহন করে। ভেঙে দেয় অন্ধকারের বলয়। ছড়িয়ে দেয় ঐশীধ্বনি। চূর্ণবিচূর্ণ করে অসভ্যতার প্রাচীর। পাকাপোক্ত করে মহাসত্যের ভীত। দূরীভূত করে কুপ্রথা-কুসংস্কার। সর্বোপরি প্রচার করে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিধি-বিধান।
.
বইটির প্রচ্ছদ অত্যন্ত মনোহর। বাইন্ডিং মজবুত। মুদ্রণপ্রমাদ চোখে পড়লেও তা হাতেগোণা। গল্পের কাহিনিপ্রবাহে একধরনের আকর্ষণ আছে, যা পাঠককে উত্‍ফুল্লচিত্তে এগিয়ে নেয়।
গল্পের চরিত্রগুলো পাঠককে হাসাবে, কাঁদাবে এবং ভাবাবে।
সবমিলিয়ে গল্পগুলো সুখপাঠ্য। এখানে সাহিত্যের ফুল আছে, সাহিত্যের কাঁটা নেই!
* * *
বইটির প্রথম গল্প 'দুই মেরুর দুই বাবা'।
হেলাল আর সাথীর দাম্পত্যজীবন। মেয়ে মুনিয়া। মুনিয়াকে অসুস্থ রেখেই বন্ধুর বিয়েতে চলে যায় হেলাল। গভীর রাতে অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে মহাবিপদে পড়ে সাথী। হাসপাতালে ভর্তিবিলম্বে মারা যায় মুনিয়া। মুনিয়ার অসুস্থতায় বাবা পাশে না থাকলেও সাথীর বাবা মেয়ের এই দুর্দিনে নির্ভরতার শক্তি জোগায়। এভাবেই দুই প্রজন্মের দুই বাবাকে নিয়ে বাবা দিবসে লেখক গল্পটি লিখেছেন। যা প্রত্যেক বাবাদের বিবেকনাড়ানো বার্তা দেয়।
.
অপরাজিতা।
জিতা প্রখর মেধাবী। লেখাপড়ায় কখনও পরাজিতা হয়নি। তাই বাবা তাকে অপরাজিতা বলে ডাকে। সেই অপরাজিতা একসময় অবৈধ প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত বিয়ে। কিন্তু বিয়ের পর তার স্বামীর প্রকৃত রূপ প্রকাশ পায়। জিতার উপর শুরু হয় প্রভিন্ন অত্যাচার। কুলিয়ে উঠতে না পেরে একসময় সেই অপরাজিতা আত্মহত্যা করে পরাজিতা হয়। এভাবেই জিতা মেয়েটি পরাজিতা হয় অপরাজিতা গল্পে।
.
'প্রথা ভাঙার বিয়ে' গল্পটিতে দুটো বিয়ের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
একটি বিয়ে বর্তমান প্রথা পেরিয়ে আধুনিকতার নামে অশ্লীলতায় আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে যায়। পক্ষান্তরে অন্য বিয়েটি প্রচলিত প্রথা ভেঙে দিয়ে সুন্নাতী তরীকায় সাদাসিধেভাবে কার্যক্রম সারে। পরবর্তীতে দেখা যায় আধুনিকতার অশ্লীল প্রথায় এগিয়ে যাওয়া বিয়েটির দাম্পত্যজীবনের ভাঙনদৃশ্য। অপরদিকে সুন্নাতী তরীকার বিয়েটির দাম্পত্যজীবনে অপার্থিব তুলির আঁচড়।
.
এমন ঊনত্রিশটি গল্প নিয়ে "বলয় ভাঙার গল্প" বইটি।
প্রতিটি গল্প আমাদের চারপাশ থেকেই নেয়া। প্রতিটি গল্পের শেষে সংযোজিত টীকাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ সবক দেয়। যা আমাদের পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রের অস্থিতিশীল পরিবেশ আমূল পরিবর্তন করে দিতে পারে।
* * *
প্রতিক্রিয়া :
চারপাশে সচরাচর যা দেখি, যা শুনি তারই যেন পুনঃপাঠ হলো বইয়ের গল্পগুলো পড়ে। তবে একটু ভিন্ন রঙে, ভিন্ন বর্ণে। কারণ বইয়ের এই গল্পগুলো নিছক বিনোদনের জন্য নয়। এখানে বিনোদন আছে, কিন্তু বেহুদাবিনোদন নেই। এই বিনোদন আমাদের অনেককিছু শিক্ষা দেয়। যে শিক্ষায় দীক্ষিত হলে মানুষ আলোকিত হয়, সমাজ হয় আলোকোদ্ভাসিত।



-10%
Close
-17%
Close

শনি সাহেব অসুস্থ – shoni saheb osustho

300 250
0 out of 5

গ্রন্থ 'শনি গ্রন্থেৱ খন্ডাংশ'

রানীক্ষেত রোগে আক্রান্ত ডিম পাড়া মুরগীর মতো প্রকাশ পাল চেয়ারে বসে ঝিমচ্ছেন ৷ মুখটা মেঘাছন্ন তার ৷ কিন্তু শ্রেণীকক্ষের প্রথম বেঞ্চে বসা শনি সাহেবের মুখে চাঁপা রহস্য লুকিয়ে আছে ৷ নাকের ডগা চুলকাতে চুলকাতে সে বলেই ফেললো
:—স্যার; ঘটনা তো একখান ঘটচ্ছে, শুনচ্ছেন নাকি !?
দেলোয়ার কপাল ও ভ্রু কুঁচকে বলে,
:—শনি, ঘটনা কি ঘটাইচ্ছে মোল্লায় !? এখুনি মসজিদ মাদ্রাসা বন্ধ করতে হইবো ৷ এখুনি সময় মসজিদ, মাদ্রাসা বন্ধ করার !!
শনি ভ্রু কপাল ভাঁজ করে ক্ষণকাল পর বলে,
:—হঠাৎ এখানে মোল্লার প্রসঙ্গ আসলো কেন ? মসজিদ মাদ্রাসা আবার কি করলো ? বন্ধই বা কেন করতে হবে ?
:—কী করছে মানে ! ঘটনা ঘটছে তুই কইলি ৷
:— হুঁম, ঘটনা ঘটছে ৷ কি ঘটনা শুনবা না আগে !?
:—আরে দোস্ত, শোনার কি আছে ! কোন ঘটনা ঘটলেই সেক্যুলার সমাজ যাচাই বাছাই ছাড়াই গলা ফাট্টাইয়া বলে 'এই কাম মোল্লা ছাড়া কেউ করে নাই' ৷ শুধু সেক্যুলার সমাজ তিনটা ঘটনা মোল্লাদের উপর এখনো চাঁপিয়ে দেয় নাই ৷ সেগুলো বন্যা, ঝড়, ভূমিকম্পন ৷
বাবুল ঝন করে উঠে কোমরে হাত দিয়ে বলে,
:—একদম চিন্তা করিস না তোরা ৷ সেক্যুলারদের যে হাড়ে চেতনা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আগামী এক বছরের ভিতরেই বলবে বন্যা ও খরা মোল্লাদের জন্য হয় !!
আতিয়ার বিব্রত সুরে বলে ওঠে,
:—এটা আবার কোন যুক্তিক কথা ? আমার বুঝে আসে না ৷
মকুল বলে,
:—কেন ? কেন, তোর বুঝে আসে না ? নাক টিপলে মনে হয় দুধ পড়ে তোর !! বুঝলি, অবিশ্বাসের কিছু নাই ৷ মোল্লা বা মুসলিমরা প্রস্রাব করে পানি ব্যবহার করে ৷ করে কি করে না ?
:—করে ৷ পাক পবিত্র বলে কথা আছে !
:— সেক্যুলার সমাজের মানুষ গুলো পানি ব্যবহার করে না প্রস্রাব করে ৷
:—কি বলিস !! ওদের কাছে কি তাহলে পাক-পবিত্র বলে কিছু নাই ?
:—ক্যান, তোর কি নাক দিয়ে দুধ পড়ে এখনো ? বুঝলি আতিয়ার, এই ইস্যু ধরে একদিন সেক্যুলার সমাজ শাহবাগে গলা চড়াবে ৷ বলবে—পানির অতিরিক্ত ব্যবহার বন্ধ করতে হবে, করতেই হবে ৷ অতিরিক্ত পানি ব্যবহারে বন্যা সৃষ্টি হয় ৷ প্রস্রাব করে মোল্লাদের পানি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, হবে না ৷ পশুদের পানি ব্যবহার করতে হয় না, মোল্লাদের করতে হবে কেন' ? এই যুক্তি আগামী দিনে দাঁড় করাবে ৷
প্রকাশ পাল দাঁউ দাঁউ করে এতক্ষণ জ্বলছিলেন ৷ হঠাৎ তার বিস্ফোরণে শ্রেণীকক্ষ স্তব্ধ ৷ শনি উঠে দাঁড়িয়ে আবার বলে,
:—স্যার; ঘটনা তো একখান ঘটছে, শুনচ্ছেন নাকি ?
কে যেন পিছন বেঞ্চ থেকে হঠাৎ বলে উঠে—ঘটনা কি মোল্লায় ঘটাইছে !?
প্রকাশ পাল চটে যায় খুব ৷ উত্তপ্ত কন্ঠে বলেন,
:—কে বললো, কে ? কে বললো রে ইভা ?
ইভা দাস বাইম মাছের মতো কচলাতে কচলাতে বলে,
:—শুনেছি কিন্তু দেখিনি, স্যার ৷
ধমকের কন্ঠে প্রকাশ পাল বলে,
:—ফাজলামির জায়গা এটা !?
বলেই সে উত্তপ্ত চোখে সব শিক্ষার্থীদের উপর একে একে চোখ বুলায় ৷ শনি মলিন মুখে বলে,
:—স্যার; ফেসবুকের প্রখ্যাত জ্ঞানী লেখক, বিজ্ঞানমনস্ক, মুক্তমনা মামুনুর রশিদ গ্রেফতার হয়েছেন !! উনার নাম শুনেনি এমন নাস্তিক দুই বাংলাতে নেই ৷ নাস্তিকদের 'জুনিয়র ব্রাদার' নামে খ্যাত উনি ৷ উনি ফেসবুকে আপত্তিকর ছবি পোষ্ট করেছেন কাবা শরিফের উপর, তাই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে ৷ ইভা দাস বলে উঠে,
:—শনি, উনার ছদ্মনাম মামুনুর রশিদ ৷ আসল নাম প্রভাষ পাল ৷ আমাদের স্যারের ছোট ভাই ৷ ঢাকাতে চাকরি করেন ৷
শনি সাহেবের চোখ প্রসস্থ হয়ে যায় মুহুর্তেই ৷ বলে,
:—কি আজগুবি কথা বলো, ইভা মণি !?
:—আজগুবি না শনি, যা সত্য তাই বলছি ৷
শনি সাহেব এবার প্রকাশ পালের দিকে কপাল কুঁচকে তাকিয়ে বলে,
:—স্যার, এতদিন শুনে আসচ্ছি আপনারা চার ভাই ৷ কিন্তু মামুনুর রশিদ যে আপনার ভাই তা তো শুনিনি আর বলেননি তো কোনদিন !!
প্রকাশ পাল রাগে ক্ষোপে ফুলে যাচ্ছেন বেলুনের মতো, তবুও ফাটচ্ছেন ৷ ইভা দাস বলে,
:—শনি, আমি কি বল্লাম বোঝনি ? স্যারের ছোট ভাই প্রভাষ পাল ছদ্মনামে ফেসবুক চালাতো ৷ উনারা চার ভাই-ই ৷
:—ওহ ! কিন্তু আমি যে তাকে একদিন ফেসবুকে 'এস এম এস' করল্লাম—"আপনি দিন রাত শুধু মুসলিমদের গুষ্ঠি উদ্ধার করেই যাচ্ছেন ৷ ইসলাম নিয়ে এত্ত অশীল মন্তব্য কেন করেন ? মিথ্যাচার করা ছাড়া কি মুক্তমনা হওয়া যায় না" ? তখন মামুনুর রশিদ আমাকে 'এস এ এস' করে —'মিথ্যাচার করে মৌল্লারা ৷ ধর্মের মিথ্যাচার উন্মুক্ত করতেই আমাদের আর্বিভাব ৷ মুসলিম ঘরে জন্মগ্রহণ করে জেনে শুনে এই পথে এসেছি' ৷ ইভামণি উনি কিন্তু আমার কাছে স্বীকার করেছিল তিনি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন ৷ মুক্তমনারা কখনো মিথ্যা বলে না ৷ বাবুল হঠাৎ কথা গাঢ় করে বলে,
:—কখনোই মিথ্যা বলে, মুক্তমনা নাস্তিকরা সত্যবাদী ৷ বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ কখনো মিথ্যা বলে না ৷ উনি বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতেই বলেছেন মুসলিম পরিবারে জন্মেছেন ৷
শনি আবার বলে,
:—স্যার, আপনার ছোট ভাইয়ের জন্ম কি মুসলিম পরিবারে ? আপনার ছোট ভাইয়ের বাবা কি মুসলিম ছিলেন ? প্রকাশ পাল যেন ট্যাপা মাছের মতো ফুলতে থাকে অবিরাম ৷ কিন্তু চুপ ৷ শনি বলে,
:—স্যার, রাগ করবেন না প্লীজ ৷ নাস্তিকগণ দাবি করে তারা বিজ্ঞানমনস্ক, মুক্তমনা ৷ তারা সত্য সন্ধানী ৷ মিথ্যাকে নির্ভুল করতে চায় ৷ সেই প্রেক্ষাপটে নাস্তিকদের 'জুনিয়র ব্রাদার' মামুনুর রশিদ ওরফে প্রভাষ পাল নিশ্চয় সত্যবাদী ৷ তিনি নিজে মুখে বলেছেন তিনি মুসলিম পরিবারে জন্ম নিয়েছেন ৷ আমি কিছুতেই তাকে মিথ্যাবাদী বলতে পারবো না ৷ দেলোয়ার বলে,
:— অবশ্যই না ৷ মিথ্যাবাদী বললে মুক্তমনাদের অপমান করা হবে, বুঝলি ! বড় কথা হলো তারা বিজ্ঞানমনস্ক ৷ তাদের সব কথায় বিজ্ঞান নির্ভর ৷ নিঃসন্দেহে সে মুসলিম পরিবারের সন্তান ৷ তার বাবা নিশ্চয় মুসলিম ৷ বাবুল বলে উঠে,
:—আমার খটকা লাগছে ৷ আমাদের স্যারের ছোট ভাই সে ৷ সবাই জানি উনার বাবা অশোক পাল ৷ তিনি একজন হিন্দু ৷ কি করে স্যারের ভাই প্রভাষ পাল, মামুনুর রশিদ হয় !? আবার তার বাবা মুসলিম, মুসলিম ঘরে জন্ম ৷ আমার মাথায় ঢুকছে না কিচ্ছু, কিছুই ঢুকচ্ছে না ৷ জহিরুল বলে,
:—ওহে, চুপ করো হে ৷ ঢুকছে না, ঢুকছে না, না ঢুকলে বিজ্ঞানমনস্কদের কী আসে যায় ! বিবর্তনের জ্ঞান তোদের মাথায় আছে ? যদি উইপোকার বিবর্তনে ঈগল পাখি হয় আর প্রভাষ পাল বিবর্তনে মামুনুর রশিদ হবে না কেন হে !? বাবুল মরা মনে বলে,
:—তার পরেও আমার খটকা লাগছে, দোস্ত ৷ স্যারের ছোট ভাই প্রভাষ পাল হঠাৎ মামুনুর......৷
:—চুপ করো হে ! শত শত মহামান্য জ্ঞানী নাস্তিক পুরুষ, ফেসবুকে হিজড়া সেঁজে ফেক আইডি খুলে ইসলামের নামে অপপ্রচার চালায় তাতে দোষ নাই, সব দোষ বুঝি আমাদের স্যারের ভাইয়ের !? সে নাই একটু মুসলিম সেঁজে ইসলামের নামে মিথ্যাচার করেছে, তাতে কি অ্যাঁ !? বাবুল বলে উঠে,
:—তা বটে, তা বটে ! স্যার, আপনি বললে আমরা শাহবাগ গরম করে দেব ৷ সত্যবাদী বিজ্ঞানমনস্ক লেখককে গ্রেফতার মোটেই গ্রহণযোগ্য নয় ৷ পুলিশ কি একটা কাম করছে !! মকুল বলে,
:—তোদের গরম করতে হবে না শাহবাগ ৷ গরম করার মালেরা আদা চা খেয়ে এতক্ষণ রেডি হয়ে গেছে ৷ শনি কপাল প্রসস্থ করে বলে,
:—চুপ কর তো ৷ স্যারের কিছু বলতে দাও ৷ প্রকাশ পাল এতক্ষণ যা শুনছিলেন তা না পারছিল হজম করতে না পারছিল বমি করে ফেলতে ৷ শেষ মেষ বলে,
:—আমার আর কি বলার আছে ! তুমিই তো সব নাটের গুরু ৷ আমার ভাই ভিন্ন নামে ফেসবুক খুলেছে এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার ৷ কিন্তু মৌলবাদীদের অনুভূতিতে চোট লাগে বলে অবাক হই ! বিজ্ঞানমনস্ক মানুষকে মৌলবাদীরা এত্ত ভয় পায় !! শনি আমতা আমতা করে বলে,
:—চোট কতটুকু লেগেছে তা বলতে পারবো না কিন্তু নাস্তিকদের মুক্তমনা চিন্তা হিলাময় ভেদ করে ফেলেছে এটা বুঝতে পারচ্ছি ৷ মিথ্যাচার অপপ্রচার করতে গিয়ে নিজের নাম, বাপের নাম পর্যন্ত অস্বীকার করে ফেলেছে ৷ বিজ্ঞানমনস্ক হতে জন্মদাতা পিতাকে অস্বীকার করতে হয় জানতাম না, স্যার !!
প্রকাশ পাল চক ডাস্টার্র নিয়ে শ্রেণীকক্ষ থেকে বের হতে হতে বলে' মৌলবাদীরা যে বিজ্ঞানমনস্কদের যমের মতো ভয় পায় !