Showing all 4 results

Show sidebar

খুতুবাতে জুলফিকার – Khutubat e Julfikar

7,320 5,000
0 out of 5

৩২ খন্ডের সমাহার

ডাবল স্ট্যান্ডার্ড – Double Standard

260 200
0 out of 5

বই : ডাবল স্ট্যান্ডার্ড
লেখক : ডা. শামসুল আরেফীন
প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আযহার
প্রকাশকাল : আগস্ট ১৭
মুদ্রিত মূল্য : ২৬০
পৃষ্ঠা : ১৯২

পর্যালোচনা :
পৃথিবী এগুচ্ছে। দুর্দান্ত গতিতে। পিছনের পৃথিবীর দিকে ফিরলে, বর্তমান
পৃথিবীর দিকে তাকালে এবং আগামীর পৃথিবী কল্পনা করলে যে জিনিসটা স্পষ্ট দেখা
যায়, তা হচ্ছে পৃথিবীর পরিবর্তন।
একসময় মানুষ যা ভাবত না, আজ তা বাস্তবায়িত! অতীতের পৃথিবী যা চিন্তা করতেও পারত না, আজ তা প্রতিফলিত!
এই যে পৃথিবীর এই উত্থান-অবক্ষয়, সমৃদ্ধি-পরিবর্তন তার মধ্যে রয়েছে
বিজ্ঞানের বিবর্তন। বিজ্ঞানের এই কল্যাণ অনস্বীকার্য এবং অপরিহার্যও বটে।
কিন্তু বিজ্ঞানের এই উত্‍কর্ষে ও তার উত্‍কৃষ্টতায় মুজ্জমান হয়ে একটি
ক্ষুদ্র মহল নিজের অস্তিত্বকে আজ অস্বীকার করতে বসেছে। ওরা বিজ্ঞানকে
সর্বেসর্বা বানিয়ে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের স্রষ্টা ও নিয়ন্ত্রককে অস্বীকার করছে।
বিজ্ঞান বিজ্ঞান কপচিয়ে স্রষ্টাকে সৃষ্টির মাঝে গুলিয়ে ফেলছে। বিজ্ঞানের
বুলি আওড়িয়ে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে বিগ্রহ করছে। বিজ্ঞানের ভিত্তিতে তারা দাবি
করছে অদৃশ্য বস্তুর কোনো অস্তিত্ব নেই। যার অস্তিত্ব নেই তাকে বিশ্বাস করা
অযৌক্তিক!
কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে মুখে মুখে এসব বললেও অসংখ্য অদৃশ্য বিষয়ে ওরা
পুরাদস্তুর বিশ্বাসী। অথচ ধর্মের ব্যাপারে ওরা বিশ্বাস-অবিশ্বাসের
পেন্ডুলামে দোলে! গতকাল বিজ্ঞান যা বলেছে আজ কি তা পরিবর্তন করেনি?
অবশ্যই করেছে!
এমনকি অনেক বিষয়ের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থও হয়েছে। এটাই হচ্ছে বিজ্ঞানের
সীমাবদ্ধতা। সৃষ্টিকর্তার ব্যাখ্যা না দিতে পারাটাও বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতার
স্বরূপ। তাহলে আজ বিজ্ঞান যা বলছে কাল কি তার বিবর্তন হতে পারে না?
অবশ্যই পারে!
দেড় হাজার বছর পূর্বে ইসলাম যা বলেছে বিজ্ঞান আজ তার সঙ্গে করমর্দন করছে।
তবুও যারা বিজ্ঞানকে ধর্মের প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে, ধর্মের রীতি-নীতির
নিমিত্ত খুঁজে এমন কিছু মানুষের কিছু যুক্তি খণ্ডন করেই রচিত হয় `ডাবল
স্টান্ডার্ড`। ইসলামবিদ্বেষীদের উত্থাপিত কিছু আপত্তির তত্ত্বোদ্ঘাটন করেই
ডাবল স্ট্যান্ডার্ড রচিত হয়েছে। যারা ইসলাম ধর্মের খুঁত খুঁজে খুঁজে যুক্তি
খাড়া করাবার চেষ্টা করে, তাদের যুক্তির পিঠে যুক্তি এবং আঘাতের বদলে
চপেটাঘাত করেই 'ডাবল স্টান্ডার্ড'।
|
ইসলামের ইতিহাস নিয়ে যারা সন্দিগ্ধ, ইসলামি কৃষ্টি-কালচার নিয়ে সন্দিহান
এবং ইসলামি বিধি-নিষেধ নিয়ে সংশয়ে ভোগে তাদের সন্দেহ দূরীকরণে, তাদের সংশয়
নিরসনে একটি তথ্যবহুল বইয়ের নাম `ডাবল স্টান্ডার্ড`।
বইটি গল্পচ্ছলে লেখা। গল্পের বাঁকে বাঁকে লেখক নানান বিষয় তুলে ধরেছেন।
অবসান ঘটিয়েছেন বহুবিধ একচোখা যুক্তির। যার দরুন পাঠক তৃপ্তিভরেই পাঠ করতে
পারবে। বইটি যেমন তথ্যবহুল, তেমনই দলিল নির্ভুল । যুক্তিতে অকাট্য। তথ্য ও
উপত্তে নিঁখুত। ভাষায় প্রাঞ্জল। মর্মোদ্ঘাটনে সাবলীল। গল্পের প্লটগুলো তেমন
আকর্ষণীয় না হলেও সংলাপগুলো সুবিন্যস্ত। গল্প এগিয়ে যাওয়ার ধারাবাহিকতাও 
নিয়মতান্ত্রিক।
সর্বোপরি পাঠক বইটি পড়লে ইসলামের উপর উত্থিত অনেক সন্দেহ, সংশয়ের বেড়াজাল
থেকে মুক্ত হতে পারবেন। সেই সঙ্গে বিশ্বাসের দেয়ালটা হবে দ্রঢিষ্ঠ।
* * *
আমি যে ফ্ল্যাটে আছি তার নিচ তলায় আগুন ধরেছে। আমি দেখিনি। অবিশ্বস্ত একজন থেকে খবর পেয়েই আমি বাঁচার উপায়ন্তর খুঁজছি। ছটফট করছি।
এই যে একটা শোনা কথার উপর আমি ছটফটানি শুরু করেছি, এরপরেও আমি কীভাবে অদেখা জিনিস বিশ্বাস করি না? 
একজন অবিশ্বাসীকে এভাবেই কিছু যুক্তি দিয়ে  বিশ্বাসের বিশ্বস্ত পথে ফিরানোর
একটি অনন্য কাহিনি নিয়ে বইয়ের না দেখে বিশ্বাস : মানবজন্মের স্বার্থকতা
গল্পটি।
|
দাসপ্রথা কী? কেন?
দাসপ্রথা নিয়ে সাম্রাজ্যবাদীদের উত্থাপিত কিছু যৌক্তিক দাবি এবং তার পাল্টা
জবাব পেতে লেখকের দাসপ্রথা : ঐশী বিধানের সৌন্দর্য গল্পটি পড়তে হবে।
গল্পটি পড়লে দাসপ্রথা নিয়ে কিছু বিভ্রান্তির অবসান ঘটবে। 
|
কোরআনে নারীকে শষ্যক্ষেত্র উপমা দেওয়ায় একটি নারীবাদী মহল মায়াকান্নায়
রোরুদ্যমান। অথচ ওরাই নারীদেরকে পণ্য বানিয়ে বিজ্ঞাপন দেয়। তাদের যোজন যোজন
যুক্তিগুলো খণ্ডন করেই লেখকের শষ্যক্ষেত্র : সম্পত্তি না সম্পদ? গল্পটি।
ভার্সিটিপড়ুয়া একটি চাষির ছেলে কতো সুন্দরভাবে যুক্তিগুলো খণ্ডন করে
গল্পটিতে!
|
সমাধান কি মানবধর্মেই? নামের গল্পটিতে মানবধর্মের অন্তরালে ধর্মনিরপেক্ষতার
কিছু সাদা সভ্যতার কালো মুখোশ খসে পড়ে। সেই সঙ্গে গল্পটিতে জানা যাবে
মানবধর্মের সীমাবদ্ধতা ও ধর্মের সুশৃঙ্খলার স্বরূপ। 
|
ভূত, ভবিষ্যত ও বর্তমানের পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের, প্রভিন্ন ধর্মের এবং
নানান বর্ণের মানুষ কীভাবে একত্ববাদে বিশ্বাসী তা জানতে হলে লেখকের
বিজ্ঞানকল্পকাহিনী : শাশ্বত একত্ব গল্পটি পড়তে হবে। মানুষপ্রদত্ত কিছু
ধর্মের শিকলে আবদ্ধ হয়েও মানুষ একত্ববাদকে কীভাবে বিশ্বাস করে তার
উত্‍কীর্ণ প্রতিফলন গল্পটিতে।
|
দক্ষিণহস্ত মালিকানা : একটি নারীবাদী বিধান, জিযিয়া : অমুসলিম নাগরিকের
দায়মুক্তি, শ্রেণিবৈষম্যহীন সমাজ : ওদের স্বপ্ন আমাদের অর্জন, আরব সংস্কৃতি
মানবো কেন?, বনু কুরাইযার মৃত্যুদণ্ড ও বাংলাদেশের দণ্ডবিধি,
পরিপূর্ণ দাড়ি : জঙ্গল নয়, ছায়াবীথি শিরোনামে প্রভৃতি গল্পগুলোও শিক্ষণীয়।
প্রত্যেকটি গল্পই প্রশংসার অধিকার রাখে। বিজ্ঞানের ভিত্তিতেই ধর্মবিদ্বেষের
কিছু দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হয় গল্পগুলোতে। এগুলো পড়লে অবিশ্বাসীদের বিশ্বাস
জন্মাবে। বিশ্বাসীদের বিশ্বাস পাকাপোক্ত হবে। বিশ্বাসের শিকড় দৃঢ়মূল হবে। 
* * *
প্রতিক্রিয়া :
বইটা শুরু করতেই এক ধরনের ভালোলাগা আচ্ছন্ন করে রেখেছে। ধর্মবিদ্বেষীদের
উত্থাপিত মোক্ষম মোক্ষম প্রশ্নগুলোর যথোপযুক্ত উত্তর পেয়ে বারবার
বিস্ময়াভিভূত হয়েছি। উদগ্রীব ও উত্‍কণ্ঠায় একবসায় শেষ করেছি বইটি। ইসলামের
প্রতি অনেক সন্দেহ, সংশয় দূর হয়েছে বইটি পড়ে। সেই দৃষ্টিতে বলা যায় বইটি
সবার জন্য পাঠ আবশ্যকীয়। আমি আস্তিক হই কিংবা নাস্তিক, মুমিন কিংবা মুশরিক,
আমারও বইটি পড়া উচিত। অন্তত সত্যকে জানার জন্য হলেও। সবমিলিয়ে বইটি
অনন্যসাধারণ। লেখক ড. শামসুল আরেফীন

জায়গায় জায়গায় বলেছেন `নতুন গল্প আসছে`। সেই নতুন গল্পগুলোর জন্য মুখিয়ে রইলাম।
-25%
Close

শহীদ টিপু সুলতান – Shahid Tipu Sultan

500 375
0 out of 5
শহীদ টিপু সুলতান। ভারতবর্ষের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে যাঁর নাম সবসময় সোনালি অক্ষরে লেখা থাকবে। দেশমাতৃকার স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজ শক্তির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যিনি বুক পেতে দাঁড়িয়েছিলেন। শাসক হিসেবে যিনি ছিলেন ইতিহাসের অন্যতম মহান সম্রাট। যাঁর শাসিত রাষ্ট্রে সব ধর্মের অনুসারীরা পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতার সঙ্গে বসবাস করতো। একজন মুসলমান সম্রাট হয়েও প্রশাসনের উচ্চপদে যোগ্যতাসম্পন্ন হিন্দু অফিসার নিয়োগ দিয়েছেন। টিপু সুলতানই পৃথিবীর বুকে সর্বপ্রথম মিসাইল আবিষ্কার করেন। সম্প্রতি নাসা তাকে রকেট ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যতম আবিষ্কারক স্বীকৃতি দিয়েছে। ইংরেজ জেনারেল স্যার টমাস মনরো যাঁর সম্পর্কে লিখেছেন, ‘টিপুর শাসনামলে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে অভিন্ন আচরণ করা হতো। তাঁর প্রশাসন এতোটাই শক্তিশালী ছিলো যে, এখন পর্যন্ত ভারতবর্ষের মাটিতে তার দৃষ্টান্ত দেখা যায়নি।’ টিপু সুলতান ছিলেন ইতিহাসের সেই অকুতোভয় সেনানী, যিনি ইংরেজদের দাসত্ব ও করুণা নিয়ে বেঁচে থাকার ওপর মৃত্যুকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ইতিহাসের পাতায় জ্বলজ্বল করছে, ‘শৃগালের মতো একশো বছর বেঁচে থাকার চেয়ে সিংহের মতো একদিন বেঁচে থাকা উত্তম।’ সম্প্রতি ভারত থেকে উরদূ ভাষায় এই মহাবীরের ওপর ৬০০ পৃষ্ঠার বিশাল জীবনীগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাভাষী পাঠকদের জন্যে বইটি অনূদিত হয়েছে। আশা করি, ভারতবর্ষের ইতিহাসের সর্বজন শ্রদ্ধেয় এই মহাবীরের জীবনী আমাদের সামনে স্বাধীনতা যুদ্ধের দু-শো বছরের রক্তক্ষয়ী দীর্ঘ ইতিহাসের নতুন দুয়ার খুলে দেবে। লেখক : ইলয়াস ভাটকালী অনুবাদক : আবদুল্লাহ আল ফারুক পৃষ্ঠাসংখ্যা : ৫৭৬ মুদ্রিত মূল্য : ৫০০ কভার : হার্ডবাইন্ডিং
-42%
Close

সীরাত বিশ্বকোষ – Seerat Bishwokosh

11,000 6,400
0 out of 5

১-১১ খন্ড