Showing all 15 results

Show sidebar
-10%
Close
-14%
Close
-20%
Close

ইতিহাসের ধুলোকালি – Itihaser Dhulokali

250 199
বাংলাদেশে প্রচলিত রাজনৈতিক বয়ানে অনেক ঐতিহাসিক বিষয়কেই ভুলভাবে আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ইতিহাসের এই ভুল উপস্থাপনের একটা হীন রাজনৈতিক
-20%
Close

ইতিহাসের পূনরাবৃত্তি হবে কি ? লেখক : শাইখ মুহাম্মাদ আল আবদাহ- Itihaser Punorabritti Hobe Ki

250 200
0 out of 5

একজন মুসলিম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আল্লাহর নীতি সম্পর্কে অবগত হয়, তখন এটা তাকে প্রচুর অভিজ্ঞতা-সমৃদ্ধ করে দেয়, যে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য তার ক্ষুদ্র জীবনের স্থিতিগুলো যথেষ্ট নয়। যে সময়টা সম্পর্কে আমরা লিখতে যাচ্ছি, তা হচ্ছে হিজরী চতুর্থ শতাব্দী এবং তৎপরবর্তী কালের চিত্র। তখন থেকে সালাহউদ্দীন আইয়ুবীর আবির্ভাব কাল পর্যন্ত পরিবর্তন কীভাবে সূচিত হয়েছে?

সে পরিবর্তনের শুরু কোথা থেকে এবং কীভাবে হয়েছে? কোন রকম ভূমিকা আর পূর্বাভাস ছাড়া হঠাৎ করে নূরুদ্দীন জঙ্গি আর সালাহউদ্দীন আইয়ুবীর মতো মহানায়কের আবির্ভাব ঘটে না। সেকালে যা কিছু ঘটেছে এবং তৎপরবর্তীকালে যে পরিবর্তন সূচিত হয়েছে, তার সঙ্গে কোন কোন দিক থেকে বর্তমান যুগের মিল রয়েছে। আমরা দেখতে পাবো, কীভাবে জাগরণের সূচনা হয়েছে। আবার কীভাবে ক্ষণকাল তা দমিত হয়ে পুনরায় শক্তিশালী রূপে তা প্রকাশ পেয়েছে। এটা স্বাভাবিক যে, সময়টা ছিল ধারণা-কল্পনার চেয়েও বেশি দীর্ঘ। কারণ রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক যে বিধান পূর্ব থেকে চলে আসছিল, তা এতই গভীরে প্রোথিত ছিল যে, তা দূর করার জন্য প্রচ- আঘাতের প্রয়োজন ছিল, প্রয়োজন ছিল অনেক পানি সিঞ্চনের।

এরপরও তা সম্পূর্ণ দূরীভূত হয়নি। এবং দু’জন ন্যায় পরায়ণ শাসকের পরও তা অব্যাহত থাকে। কিন্তু তাই বলে সংস্কার আর নবায়নের আন্দোলন বন্ধ হয়নি। আন্দোলন হয়েছে আলেম সমাজের পক্ষ থেকে এবং শাসক শ্রেণির পক্ষ থেকেও। আধুনিক যুগেও জাগরণের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে; কিন্তু তা অতি ধীর গতিতে। তাকে বহন করছে অতীত কালের বোঝা আর গ্লানি। আশা করা যায় যে, আল্লাহর হুকুমে তা কাক্সিক্ষত পরিবর্তন আর ঈপ্সিত সংস্কারের দিকে নিয়ে যাবে। আল্লাহর জন্য এটা কোন কঠিন কাজ নয়। আল্লাহ ই তাওফীকের মালিক।

বইঃ ইতিহাসের পূনরাবৃত্তি হবে কি ?
লেখক : শাইখ মুহাম্মাদ আল আবদাহ
অনুবাদক : মুফতি আব্দুল্লাহ খান
সংস্করন : ১ম
পৃষ্ঠাসংখ্যা : ১৭৬
ধরন : হার্ডকভার
মূল্যঃ ২৫০ টাকা
-20%
Close
-29%
Close

উসমানী খেলাফতের স্বর্ণকণিকা – Usmani khelafoter Swornokonika

280 200
0 out of 5

বই : উসমানি খেলাফতের স্বর্ণকণিকা
লেখক : Ainul Haque Qasimi আইনুল হক ক্বাসিমী।
প্রকাশক : কালান্তর প্রকাশনী
(প্রকাশনা নম্বর ১৯)।
প্রচ্ছদ : ইনাম বিন সিদ্দিক।
প্রকাশকাল : একুশে বইমেলা ২০১৮।
পৃষ্ঠাসংখ্যা : ১৫২।

সংক্ষিপ্ত বই পরিচিত :
তাতারিদের হাতে সালজুকি সাম্রাজ্যের পতন হলে উসমান বিন আরতুগাল ১২৯৯ সালে স্বাধীনভাবে প্রতিষ্ঠা করেন উসমানি সাম্রাজ্য।

আনাতোলিয়ার একসময়ের এই ছোট্ট জায়গিরটি পুরো এশিয়া মাইনর, পশ্চিম এশিয়া,
পূর্ব প্রাচ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা আর উত্তর-পূর্ব ইউরোপে মোট ঊনত্রিশটি প্রদেশ
নিয়ে প্রায় ৫২ লক্ষ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত ছিল। যে সীমানায় পৃথিবীর
বর্তমান মানচিত্রে প্রায় ৪২ টি দেশের অবস্থান।

কিন্তু আফসোসের বিষয়, ১৯২৪ সালের ৩ মার্চ ইসলাম বিদ্বেষী পশ্চিমাদের ক্রীড়নক মুস্তফা কামাল পাশা এ খেলাফতের কবর রচনা করেন।

উসমানি খেলাফত ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী, সবচেয়ে বৃহৎ, সামরিক শক্তিধর ও
সর্বশেষ ইসলামি খেলাফত। দুর্দান্ত ও মহাপ্রতাপশালী এ সাম্রাজ্যের ভয়ে
তৎকালীন অপরাপর সাম্রাজ্যগুলো কাঁপত থরথর করে! স্বয়ং আমেরিকা ও রাশিয়া
উসমানি খেলাফতকে কর প্রদান করত! বেশি দূরের নয়-এ ইতিহাস মাত্র একশ বছর
আগের!

আমরা এই খেলাফতের বিভিন্ন যুদ্ধকাহিনী জানতে পারলেও
খেলাফতের সোনাফলা মাটি-প্রকৃতি, সোনালি দিন-রাত আর সোনার সেই রাজা-প্রজাদের
সম্পর্কে তেমন কিছু জানি না বললেই চলে!

উসমানি খেলাফতের সুদীর্ঘ
ছয় শতাধিক বছরের যুগ-যুগান্তর ও কাল-কালান্তরের বাঁকেবাঁকে ঘটে যাওয়া ঈমান
জাগানিয়া ও হৃদয়ছোঁয়া স্বপ্নিল কাহিনী, বর্ণিল গল্প ও স্বর্ণালি ইতিহাসের
এক অতুলনীয় সমাহার এই ‘উসমানি খেলাফতের স্বর্ণকণিকা’ গ্রন্থটি। যে
গ্রন্থটি ঐশী বিধানে পরিচালিত একটি সাম্রাজ্য, একটি জাতি ও একটি সুবিশাল
সমাজের কতগুলো সোনার মানুষের সোনালি অবস্থা-ব্যবস্থাকে ফুটিয়ে তুলেছে।
হেথা-হোথা ছড়ানো-ছিটানো বিক্ষিপ্ত কাহিনী, গল্প ও ইতিহাস-টুকরোকে বইটি একই
সূতোয় গেঁথে নিয়ে এসেছে। সেই হিসেবে বইটি নিয়মতান্ত্রিকভাবে আগাগোড়া উসমানি
খেলাফতের ইতিহাসের কোনো বই নয়; বরং উসমানি খেলাফতের বাস্তব সত্য কিছু
ঈমানদীপ্ত, চমকপ্রদ ও শিক্ষণীয় কাহিনীর অনবদ্য সঙ্কলন।

-32%
Close

খুতুবাতে জুলফিকার – Khutubat e Julfikar

7,320 5,000
0 out of 5

৩২ খন্ডের সমাহার

-18%
Close

গাট্টিওয়ালা – Gattiwala

280 230
0 out of 5


📙কিতাবের নাম : গাট্টিওয়ালা
লেখক : সৈয়দ মাহবুব আলম
শরঈ নিরীক্ষণ :মুফতি নাফিউল ইসলাম

👉প্রচ্ছদ: এম্বুশ, স্পট
👉মুদ্রিত মূল্য : ২৮০ টাকা
👉পৃষ্ঠাসংখ্যা : ২৩২(৮০গ্রাম অফসেট, কালার)

📙 প্রকাশনায়: ফেইথ পাবলিকেশন

-17%
Close

প্রাচ্যবিদদের ইসলামচর্চার নেপথ্যে – Prachyobid der Islam chorchar Nepothye

120 100
0 out of 5
  • আজকাল স্কুল-কলেজ ও ইউনিভার্সিটিগুলোতে যেই ইতিহাস পড়ানো হয়, সেই ইতিহাস অধ্যয়ন করলে পরিষ্কার বুঝে আসে যে, সেই ইতিহাসের সেই বইগুলোতে মুসলিম উম্মাহর আলোকিত অতীতের মাঝে প্রাণঘাতী বিষ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের যেই সন্তানরা ওরিয়েন্টালিস্টদের তত্ত্বাবধানে গড়ে ওঠছে, তারা সেই বিষাক্ত ইতিহাস নিজ ব্যবহারিক জীবনে প্রয়োগ করার জন্যে দিন-রাত একাকার করে খাটছে। প্রাচ্যবিদরা তাদের নিষ্পাপ অন্তঃকরণে এমনভাবে বিষাক্ত খোরাক ঢুকিয়ে দিচ্ছে যে, তারা আজীবনের জন্যে তাদের দাসে পরিণত হচ্ছে। এখন তাদের মুখ থেকে সেই কথাগুলোই বেরোচ্ছে, যা তাদেরকে তাদের মনিব শিখিয়ে দিয়েছে। এভাবেই প্রাচ্যবিদরা আমাদের এই সন্তানদের মাধ্যমে তাদের বুকের ভেতরে পুষে রাখা হিংসা ও বিদ্ধেষ চরিতার্থ করছে।
    .
    শুধু তাই নয়; প্রাচ্যবিদরা ইসলামের সভ্যতা ও সংস্কৃতি নিয়েও ছিনিমিনি খেলেছে। তারা বিশ্ববাসীর সামনে বাস্তবতা বিবর্জিত শতভাগ মিথ্যার আবরণে আবৃত চালচিত্র উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছে। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো― এর মাধ্যমে তারা ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব ধূলিধূসরিত করবে। তারা চেয়েছিলো― ইসলাম পৃথিবীকে মানবতার যেই কালোত্তীর্ণ সওগাত উপহার দিয়েছে, তা বিশ্ববাসীর সামনে তুচ্ছ প্রমাণিত করবে। মুসলমানদের মনে ইসলামের প্রতি বিরাগ সৃষ্টির দূরভিসন্ধি থেকেই তারা এ ধরনের মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে।
    .
    প্রাচ্যবিদরা শুধু ইসলামের ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টাই করেনি। তারা এর ওপর ক্ষ্যান্ত হয়নি; বরং তারা কালিমা লেপনের কুমতলব থেকে হাদীস, তাফসীর, ফেকাহ তথা অপরাপর ইসলামঘনিষ্ট বিদ্যাগুলোও গভীর অভিনিবেশ সহকারে পাঠ করেছে এবং এ ময়দানেও তারা তাদের মজ্জাগত বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটিয়েছে। যার ধারাবাহিকতায় তারা বিভিন্ন আসমানি প্রত্যাদেশের মূল ভাষ্যের মাঝে বিকৃতি ঘটিয়েছে। যেসব স্থানে তারা বিকৃতির সুযোগ পায়নি সেসব স্থানে তারা অপব্যাখ্যা প্রদান ও জটিলতা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে।
    .
    সীমাহীন দুঃখের বিষয় হলো, ইস
    লাম ও মুসলমানদের এমন কোনো বিষয় নেই, যার ওপর প্রাচ্যবিদরা তাদের রচনাবলির মাঝে আলোচনা করেনি। তাফসীর, হাদীস ও ফেকাহ থেকে শুরু করে শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য, এমনকি প্রজন্মের মূল্যবোধ সম্পর্কিত শাস্ত্রগুলোর ওপরও তারা কলম ধরেছে। বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কলেজ ও ইউনিভার্সিটির গবেষক ও স্কলারদের কাছে তাদের বইগুলোই উৎসগ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। যেমনটি আমরা ইতোপূর্বে বলেছি। যার ফলে দেখা যায়, ওই বিদ্যাপীঠগুলোর শিক্ষার্থীরা তাদের প্রভু ও মনিবদের চিন্তা-চেতনার উত্তরসূরী হয়ে থাকে।
    .
    এগুলো হলো মূল কারণ। এর বাইরে আরও অনেকগুলো কারণ রয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে কিছু আলেমে দ্বীন ―যাদের অন্তরে এই দ্বীন, কুরআন ও উম্মাহর ব্যাপারে আত্মসম্মানবোধের প্রদীপ জ্বলজ্বল করে― তারা প্রতিবাদ ও অপনোদনের ঝাণ্ডা হাতে দাঁড়িয়ে গেছেন। তারা প্রাচ্যবিদদের অপচেষ্টাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করে বিশ্ববাসীর সামনে প্রকৃত বাস্তবতা তুলে ধরার প্রাণান্ত চেষ্টা করেছেন। যেন তাদের সকল কুমতলব তাদের সামনে দিবালোকের মতো প্রতিভাত হয়ে ওঠে।
    বক্ষ্যমাণ পুস্তিকাটি সে ধরনেরই একটি প্রয়াস। যদিও আকার-অবয়বে তা নেহায়েত ছোট; কিন্তু তথ্য ও তত্ত্বের বিপুলতার বিচারে অবশ্যই অনেক বড়। পুস্তিকাটি রচনা করেন ডক্টর মুসতফা আস-সিবাঈ। মহান আল্লাহ তাঁর কবর পবিত্র ও নির্মল রাখুন। তিনি সচেতন পাঠকবর্গের উপকারার্থে তাঁর বিভিন্ন রচনাবলি থেকে এ প্রতিপাদ্য সম্পর্কিত তথ্যগুলো এক মলাটে সন্নিবেশিত করার চেষ্টা করেছেন। এপুস্তিকাটি ভাষা-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্বের সবার জন্যে অমূল্য উপহার। মহান আল্লাহ লেখকের ওপর দয়া করুন। তিনি তাঁর ওপর নিজ রহমত ও দয়া বর্ষণ করুন। ইসলাম ও মুসলমানদের পক্ষ থেকে তাঁকে উত্তম বিনিময় দিন।

-10%
Close
-25%
Close

শহীদ টিপু সুলতান – Sohid Tipu Sultan

500 375
0 out of 5

শহীদ টিপু সুলতান।
ভারতবর্ষের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে যাঁর নাম সবসময় সোনালি অক্ষরে লেখা থাকবে।
দেশমাতৃকার স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজ শক্তির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যিনি বুক পেতে দাঁড়িয়েছিলেন।

শাসক হিসেবে যিনি ছিলেন ইতিহাসের অন্যতম মহান সম্রাট। যাঁর শাসিত রাষ্ট্রে সব ধর্মের অনুসারীরা পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতার সঙ্গে বসবাস করতো। একজন মুসলমান সম্রাট হয়েও প্রশাসনের উচ্চপদে যোগ্যতাসম্পন্ন হিন্দু অফিসার নিয়োগ দিয়েছেন।
টিপু সুলতানই পৃথিবীর বুকে সর্বপ্রথম মিসাইল আবিষ্কার করেন। সম্প্রতি নাসা তাকে রকেট ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যতম আবিষ্কারক স্বীকৃতি দিয়েছে।

ইংরেজ জেনারেল স্যার টমাস মনরো যাঁর সম্পর্কে লিখেছেন, ‘টিপুর শাসনামলে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে অভিন্ন আচরণ করা হতো। তাঁর প্রশাসন এতোটাই শক্তিশালী ছিলো যে, এখন পর্যন্ত ভারতবর্ষের মাটিতে তার দৃষ্টান্ত দেখা যায়নি।’

টিপু সুলতান ছিলেন ইতিহাসের সেই অকুতোভয় সেনানী, যিনি ইংরেজদের দাসত্ব ও করুণা নিয়ে বেঁচে থাকার ওপর মৃত্যুকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ইতিহাসের পাতায় জ্বলজ্বল করছে, ‘শৃগালের মতো একশো বছর বেঁচে থাকার চেয়ে সিংহের মতো একদিন বেঁচে থাকা উত্তম।’

সম্প্রতি ভারত থেকে উরদূ ভাষায় এই মহাবীরের ওপর ৬০০ পৃষ্ঠার বিশাল জীবনীগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাভাষী পাঠকদের জন্যে বইটি অনূদিত হয়েছে। আশা করি, ভারতবর্ষের ইতিহাসের সর্বজন শ্রদ্ধেয় এই মহাবীরের জীবনী আমাদের সামনে স্বাধীনতা যুদ্ধের দু-শো বছরের রক্তক্ষয়ী দীর্ঘ ইতিহাসের নতুন দুয়ার খুলে দেবে।

লেখক : ইলয়াস ভাটকালী
অনুবাদক : আবদুল্লাহ আল ফারুক

পৃষ্ঠাসংখ্যা : ৫৭৬
মুদ্রিত মূল্য : ৫০০
কভার : হার্ডবাইন্ডিং

-35%
Close

সংগ্রামী সাধকদের ইতিহাস (সেট) – Songrami Sadhokder Itihas

2,300 1,500
0 out of 5

সংগ্রামী সাধকদের ইতিহাস [ পরিমার্জিত সংস্করণ ]
: : সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভি
অনুবাদ : : আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী

প্রকাশনা : : মাকতাবাতুল হেরা
প্রচ্ছদ : : কাজী যুবাইর মাহমুদ

-25%
Close

সমুদ্র ঈগল – Somudro Eagle

400 300
0 out of 5

‘সমুদ্র ঈগল’ সালতানাতে উসমানিয়ার (অটোমান সাম্রাজ্য) মহান সুলতান সুলায়মান আল-কানুনি এবং তাঁর নৌ-সেনাপতি খাইরুদ্দিন বারবারুসার জীবনীভিত্তিক ইতিহাস।

এঁরা ছিলেন তৎকালীন ইউরোপীয়দের জন্য জীবন্ত দুই আতঙ্কের নাম। সুলায়মান যেমন স্থলভাগে ইউরোপের ৮০০ মাইল ভেতরে ঢুকে ভেঙে দিয়েছিলেন তাদের শক্তির মেরুদণ্ড, তেমনি সাগরে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে নিয়েছিলেন খাইরুদ্দিন বারবারুসা। সুলতান যেমন হাঙ্গেরির রণক্ষেত্রে পর্যুদস্ত করেছিলেন ইউরোপের সাত-সাতটি দেশের যৌথবাহিনীর শক্তির মেরুদণ্ড, তেমনি বারবারুসা প্রিভিজার নিকটবর্তী কিরতা উপসাগরে মাত্র ১২০টি যুদ্ধজাহাজ আর কিশতির বহর নিয়ে সুলতানের কোনো প্রকার সাহায্য ব্যতিরেকে এককভাবে সাগরে সলিল-সমাধি ঘটিয়েছিলেন উইরোপীয় ইতিহাসের ৪ শতাধিক যুদ্ধ জাহাজের বৃহত্তম নৌবহটির।

খাইরুদ্দিনের হাতে পর্যুদস্ত হয়ে পালিয়ে গিয়েছিল স্পেন অধিপতি চার্লসের অ্যাডমিরাল আন্দ্রে ডুরিয়া। যে পরাজয়ের ব্যথা সহ্য করতে না পেরে মারা গিয়েছিল ভেনিসের রাজা দুজে। রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েছিল চার্লস। সাগর এককভাবে কর্তৃত্বে এসে গিয়েছিল বারবারুসার। সাগরে তাঁর আর কোনোই প্রতিপক্ষ ছিল না।

উপন্যাসটিতে উঠে এসেছে এরূপ আরও শিহরণজাগানিয়া অনেক বিজয়কাহিনী। পরতে পরতে উত্তেজনা আর রোমান্টিকতায় ভরপুর এ এক অনবদ্য রচনা।

সমুদ্র ঈগল
---আসলাম রাহি
অনুবাদক : আবদুর রশীদ তারাপাশী

প্রকাশক : কালান্তর প্রকাশনী
মুদ্রিত মূল্য : ৩০০/-


-42%
Close

সীরাত বিশ্বকোষ – Seerat Bishwokosh

11,000 6,400
0 out of 5

১-১১ খন্ড

-27%
Close

হযরত আবু বকর সিদ্দিক রা. জীবন ও সংগ্রাম – Hajrat Abu Bakr ra. Jibon O Songram

220 160
0 out of 5

হযরত আবু বকর সিদ্দিক রা. জীবন ও সংগ্রাম

মূল : মেজর জেনারেল মুহাম্মদ আকবর খান
অনুবাদ : আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী রহ.
মুদ্রিত মূল্য : ২২০ /-
প্রকাশনা : মাকতাবাতুল হেরা
প্রচ্ছদ : কাজী যুবাইর মাহমুদ